আসি আসি করে শীত চলে এলো. আর এই সময়টাতে হঠাত্ করে ছোট শিশুরা অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে। হঠাত্ ঠান্ডা লেগে নাক বন্ধ হওয়া, নাক দিয়ে
আসি আসি করে শীত চলে এলো. আর এই সময়টাতে হঠাত্ করে ছোট শিশুরা অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে। হঠাত্ ঠান্ডা লেগে নাক বন্ধ হওয়া, নাক দিয়ে
শিশুদের এক ধরনের জটিল কিডনি রোগ নেফ্রোটিক সিনড্রম। এই রোগে সময়মতো চিকিৎসা না নিলে অবস্থা গুরুতর হয়ে রোগীর মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। প্রশ্ন : নেফ্রোটিক
বাচ্চার পেটে গ্যাস হওয়ার প্রথম কারণটা হচ্ছে- খাওয়ার ভুল পদ্ধতি,বদহজম হয়ে পেটে গ্যাস তৈরি হওয়া যার দরুন ছোট্ট শিশুদের পেট ব্যথা করে।নবজাতক শিশুর বেলায় গ্যাস
ঘুমের সময় মুখ বন্ধ না হওয়ায় নিঃশ্বাসের কষ্ট, বারে বারে সর্দি কাশি হওয়া, খেতে অসুবিধে, গলা শুকিয়ে যাওয়াসহ নানা সমস্যার কারণে শিশুরা ঘুমের মধ্যে নাক
সন্তান জন্মদানের পর একজন মা তার নিজের শরীর নিয়ে নানা দিক থেকে দুশ্চিন্তাগ্রস্থ হয়ে পড়ে। এর মধ্যে অন্যতম হলো মাতৃত্বজনিত দাগ বা স্ট্রেচ মার্ক। কয়েকটি
ঠান্ডা-সর্দি লাগলে গোসল করানো যাবেনা এরকম একটা ধারণা আমাদের মায়েদের আছে। ঠান্ডা-সর্দি আসলে শুধু যে গোসল করালেই হয় এমনটা নয় আবহাওয়া, রোগ-জীবাণু,ঘাম গায়ে শুকিয়ে এরকম
অনেক বাবা-মা শিশুর কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ে বেশ দুশ্চিন্তায় পড়েন।সাধারণত তিন থেকে পাঁচ বছরের শিশুদের মধ্যে এই সমস্যা প্রবল হয়ে দেখা দেয়। অনেক অভিভাবকই বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই
একজন মেয়ে প্রথম যখন গর্ভধারন করেন তার কাছে বিষয়টি খুব স্বপ্নময় হয়ে থাকে। অনাগত শিশুকে নিয়ে তার মধ্যে থাকে বিভিন্ন জল্পনা কল্পনা । গর্ভের সন্তান
শীতে অনেক শিশুই আক্রান্ত হয় শীতকালীন ডায়রিয়ায়। এ সময় জীবাণু সংক্রমিত বাতাসের মাধ্যমেই ডায়রিয়া বেশি হয়। এ জন্য এ সময়ে শিশুর প্রতি যত্ন নিতে হয়।
কিছুদিন ধরে হয়তো আপনার শিশুর ঘুমে ব্যাঘাত ঘটাচ্ছিল শুকনো, ঘন ঘন কাশি। তখন থেকে কাশি তার লেগেই আছে। বাড়ির কেউই ঘুমোতে পারেনি কাশির শব্দে। তবে